তবুও কেমন করে হিম হয়ে

আমরা নৈঃশব্দ্যের ফিকির করি না তবুও কেমন করে হিম হয়ে আমাদের কথাগুলো জমে থাকে গহীনে- কোথায় যাবো বলো সব পথ মাড়িয়ে আমরা পৌছে যাই সাদা বালির দেশে।

পর্দা

অজস্র চোখের সামনে ঝুলতে থাকো তুমি অসীম বিস্তারে চোখ সীমানা হারালে হিসেব মেলে না শুধু হাওয়ায় দুলতে থাকা তোমার শরীরে লেগে থাকে জলের রেখা ছায়া ও ছোঁয়ার নির্মল দিব্যতায় ঢেকে দিতে চাই আপাত বিবর্ণতা।

মাঠ, বন ও হাওয়ার কথা

আমার যাইতে মানা, তাই চরাচরে বিস্ময়কে ঘুম পাড়িয়ে যেন তোমার হাত ধরে আছি আমার তো হাত ধরতে মানা, যেতে মানা কেমন করে বলো তোমার আসা যাওয়ায় পথে বেপথু বাসনা হয়ে বসে থাকে?

ওগো, আমি প্রেমে পড়েছি

দুয়ারের উপরে ঝুলিয়ে রেখেছি গোল বত্তনে আরবি হরফ হায়, আমি প্রেমে পড়েছি। আম্মা আব্বা রাগ করেছে আমরা ছন্নছাড়া থাকি এর বাড়ি তার বাড়ি ঘুমিয়ে পড়ি অবেলা। পাশের বাড়ির লোকেরা জোছনা দেখে আমরা দেখি না হায় জোছনা রাতে নেবু তলে জোনাক জ্বলে না। কে আমাদের সাঁঝবাতি জ্বালাবেন মা আছেন রেগে কে আমাদের রেঁধে খাওয়াবেন মা থাকেন…

অব্যক্ত সংগীত

যেতে যেতে অচিন নদীতে আরও দূরে ভেসে যাই যতটা গেলে দৃষ্টির আড়ালে শরীর থাকে না সময়ের ফাঁদে উড়ে যায় মেঘের সাথে অথবা তোমাকে নিয়ে একটা সংগীত গাইতে গিয়ে বারবার হোঁচট খেয়ে বলি তুমি কেন আমারে লও না তোমার আরশে। জানি এভাবে মঞ্জিল মিলে না তবুও ভাবনার খোসা ছড়িয়ে আমি কি ডাকি না তোমায় হয়ত নামে…

কার নামে পাথরটা সরিয়ে রেখেছি

এক. সেদিনকার কথা, কে যেন জিগেশ করে এই ছেলে, টুকটুকে ছেলে তোমার নাম কী তখনও আমি নাম বুঝতে শিখিনি অর্থ বুঝতে শিখিনি এখন চাইলে ভাবতে পারি নাম আর অর্থ দুটি আলাদা বিষয় এক করে বুঝতে গেলে নাম বুঝা লাগে অর্থ বুঝা লাগে দুটো বুঝে গেলে কি কি বুঝাবুঝি হয় অথবা বুঝাবুঝির অর্থ কী তা নিয়ে…