আমি যেন হারিয়ে যাই

আমার কল্পনা নদী তীর ধরে হা্ঁটে কুসুম কুসুম মেঘ ছায়া ফেলে তার সাথে কথা কয় কে নদী কে-ই বা তার তীর। আমি যেন বা হারিয়ে যাই সঙ্গে উড়ে যাওয়ার সমস্ত গল্প তীরে এসে সীমা জেনে নেয় নদী। একদা এ নিখিলে আমি পেয়েছি আজব সূত্র পড়া হলে মিলিয়ে যায় তার সার ধূসর হয়ে ভেদ করে আদম…

গল্পরা মূলত পাখি

এইসব গল্প থাকবে না একদিন ভাবাভাবির এ কালে গল্পরা মূলত পাখি এক ডাল বসে স্থির সে আছে, আছে বয়ান ঘুরে-ফিরে অন্য গাছের ডালে।

দূরের কোনো মাঠে

দূরের কোনো মাঠে হেমন্তের ছবি এঁকে যদি ঝুলিয়ে রাখা যেতো বাড়ত আমার শোক হতাশায় কোনো একদিন কাঁদতাম দেখতাম মেঘ থেকে বৃষ্টি ঝরে মিলিয়ে যাচ্ছে পেলব আত্মারা। ফুরিয়ে যাওয়া হেমন্ত আমাদের নিয়ে যায় চিরদিনের মতো। একবার গেলে শুধু ভালোবাসা যায় স্মৃতি তারে মিথ্যে করে দেয়।

ছায়ায় জেগে আছে সে

ছায়ায় সে জেগে আছে ভোরে হাওয়ায় উড়ে যায় কেউ শির শির শব্দে ভর করে রাতের সুবাস। নিভে যাওয়া সলতেটুকু অনুমান করে জেগে থাকার অহঙ্কার মৃত পাখি হয়ে উড়ছে তার।

বিদ্যুৎ চমকায় শাহবাগে

শাহবাগে গ্রহ নক্ষত্র উপগ্রহ তখন আরো গভীর হয় রাত বিদ্যুৎ চমকায় শাহবাগে বৃষ্টি আসবে ক্ষেতে তখন গ্রহ নক্ষত্র উপগ্রহ নীহারিকা বাড়ি ফেরে বৃষ্টির ভয়ে।

অনতিদূরে কেউ

কার কথা বলছি এ মধ্যরাতে কাছে না এলে ভাবা হয় না এলেই শুধু তার অনুমান হয়। অনতিদূরে কেউ নদী হয়ে বসে থাকে, বয়ে চলে অপর হয়ে কথার মাঝে তার অধিক দুরত্ব আমার কোথায় আছে বলো।