
রশিদ সাহেব সেদিকে ফিরতে দেখলেন মহিলা তার দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। তিনি ভাবলেন তার প্রাক্তন স্ত্রী তাইলে খুব বেশি বাড়িয়ে বলে নাই। সে বলত, তুমি একটা ঠান্ডা মাথার খুনী। তোমার চোখের দিকে তাকালেই তো ভয় লাগে। তোমার সাথে কোন মহিলা সংসার করতে পারবে না।
এক.
বরাবরের মতো সেই রাতেও রশিদ সাহেব একা একা রাতের খাবারটি সেরে নিচ্ছিলেন। কোন কারণ ছাড়াই সেদিন অফিস থেকে বাসার দিকে না গিয়ে উল্টো পথ ধরলেন। একজন যুক্তিবাদী মানুষ হিসেবে অকারণকে প্রশ্রয় দেয়া উচিত নয়। তারপরও তিনি অকারণকে মেনে নিলেন। মিনাক্ষী সিনেমার উল্টো দিকে যে রেস্টুরেন্টটি আছে- বে ভিউ রেস্টুরেন্ট, সেখানেই খাচ্ছিলেন। আলো-আধারী পরিবেশ। খাবারের মেন্যুতে চোখ রেখেই তার কান আশে পাশের কথাগুলো চেখে নিচ্ছিল।
‘আমি মশকরা করছি না, আমার ননদ প্রতিদিন রাতে পাঁচ বছর আগে মরে যাওয়া স্বামীর জন্য টেবিলে খাবার সাজিয়ে অপেক্ষা। এটা নিয়ে দ্বিতীয় স্বামীর সাথে তার রোজ ঝগড়া হয়’।
‘আমার চাচাতো মরিয়মের মতো অবস্থা। সে তো প্রায় ভুল করে প্রেমিকের নাম ধরে স্বামীকে ডাকে। আরে আমি নিজের কানে শুনেছি’।
যত্তোসব অর্থহীন কথাবার্তা। কোন মানে হয়!
Filed under: গল্প | Tagged: খুন, গল্প< সমকালীন, ছোট, বাংলা, রহস্য | Leave a Comment »



