উকিল মুন্সীর ‘সোয়া চান পাখি’ বিড়ম্বনা

কিছু কিছু খ্যাতি বিড়ম্বনার কারণও হতে পারে! যেমন; উকিল মুন্সীর অজস্র কীর্তি থাকলেও ‘সোয়া চান পাখি’ গান নিয়ে স্পষ্ট একটা বিড়ম্বনা আছে। গুণী মানুষেরা এই সব ব্যাপার কীভাবে গ্রহণ করে তা বলা মুশকিল— তবে একই বিষয় নিয়ে বছরের পর বছর বিভ্রান্তি, একটা অস্বস্তির ব্যাপার তো বটে! ‘সোয়া চান পাখি’ গানটা যে রশিদউদ্দিনের এই নিয়ে আসলে…

আলমগীর কবিরই রূপালি সৈকতের নায়ক, অভিনেতারা বাহানা মাত্র

এক. রূপালি সৈকতে অপেক্ষা করে লাবণ্যময়ী নারীরা। চাঁদনী রাতে ফিরে আসে প্রিয়জন… না, ফিরেও যায় কেউ কেউ। কিন্তু এই দুই পুরুষই আলাদা কেউ নয়, একজনই। একটু হয়তো আশ্চর্য হবেন, পাগলামীও মনে হবে— আলমগীর কবিরের ‘রূপালি সৈকতে’ সিনেমায় বুলবুল আহমেদ ও আনোয়ার হোসেন মূলত একই মানুষ। একই সত্তার দুই পিঠ। তিনি আলমগীর কবির স্বয়ং। সিনেমা সম্পর্কে…

হেগেল, খ্রিস্টীয় ট্রিনিটি ও কতিপয় ভুল বোঝাবুঝি

পিটার বেনসনের ‘হেগেল অ্যান্ড ট্রিনিটি’ অবলম্বনে এ লেখা। এবং অনুবাদকের কতিপয়ও বোঝাবুঝির আশঙ্কা সত্ত্বেও লেখকের নির্দেশিত কিছু বোঝাবুঝি ও তার দেখানো ‘সঠিক’ পথই আমাদের গন্তব্য। যেখানে জর্জ উইলহেম ফ্রেডরিখ হেগেলের ‘তিন’ সংখ্যাটির প্রতি অবসেশন ব্যাখ্যা করেছেন পিটার। তার মতে, এ বিষয়ে কিছু বিভ্রান্তি আছে। আর বিভ্রান্তি তৈরিতে কার্ল মার্কসেরও কিছু ভূমিকা আছে! পিটার লেখার শুরুতে…

বেতবুনিয়ার গল্প

বেতবুনিয়া বা তালিবাবাদ। এই দুটো শব্দ আমার কাছে অনেক ওজনদার ছিল। ছোটবেলায়। এখানে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র আছে। নিশ্চয় খুব এলাহি কাণ্ডের মাধ্যমে বাইরের দেশ বা দুনিয়া থেকে পাঠানো বার্তা ধরা হয়, যেটা মাঝে মাঝে আমরা টিভিতে দেখতাম, যেমন; বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা! টিভিতে বলা হতো … ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছে। একদিন বাবা আম্মাকে বললেন- ‘ওমুক’…

এক্সট্র্যাকশন: বেদিশা ভাবমূর্তি

এক. একটা কৌতুক বলি! ‘এক্সট্র্যাকশন’ দেখার পর হলিউডের জ্যারেড লেটো বুঝতে পারবে- তিনি বাংলাদেশ সম্পর্কে সাবিলা নূরের চেয়ে আসলেই কম জানতেন! হুদায় পাড়া-মহল্লারে জায়ান্ট বইলা ভাব নিতেছিল। দুই. আমরা যারা ভাবমূর্তি নিয়া এমন সরব- বাংলাদেশ রাষ্ট্রটা কেমন চলে, কীভাবে চলে- আমরা জানি না বা বেখবর আছি। যেহেতু ‘এক্সট্র্যাকশন’ সিনামায় যা দেখাইছে তা ভুল কি-না তাও…

জোকারের রাজনীতি

মাল্টিপ্লেক্সে ‘জোকার’ দেখছিলাম। একটা দৃশ্যে জোকার আর্থার পুরোনো ক্ষোভ থেকে নৃশংসভাবে সহকর্মীকে মেরে ফেলে। ঘটনাস্থলে থাকা খর্বাকৃতির অন্য সহকর্মী মনে করে তাকেও মেরে ফেলবে। ভয় পেয়ে মানুষ কত কিছুই না করে! দর্শক হিসেবে গা শিরশির করারই কথা সাধারণত। অথচ আশপাশ থেকে থেমে থেমে হাসির আওয়াজ আসছিল। যদিও আর খুন করে না জোকার। কারণ ওই মানুষটি…