ধর্ম ও দর্শন: শত্রু শত্রু খেলা

এটা মূলত: কোন এক ব্লগারের পোষ্টে দেয়া মন্তব্য। ধর্মপ্রাণ সেই ব্লগার ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের কোন বিরোধ দেখেন না, কিন্তু দর্শন কোন মতেই ধর্মসম্মত নয়। যদিও এটা প্রতিক্রিয়ামূলক লেখা। তাই পূর্ণাঙ্গ আলোচনা হয়ে উঠে আসেস নাই। কিন্তু এতো দীর্ঘ লেখা লিখে নিজের ব্লগে শেয়ার করব না, ভাবতেই কেমন লাগে। সেই মন্তব্যটি কিছুটা সম্পাদনা করে এখানে তুলে…

অদৃশ্য প্ররোচনা

এক. দূরেই দাড়িয়ে ছিলাম। প্রিয় বড়ই গাছটার নিচে। দুই দল মানুষ এদিকে আসছে। পাশাপাশি মিছিল। হাতে লম্বা লম্বা মোটা ছড়িগোছের কিছু একটা। আমি একটু পিছু হঠে গাছের আড়ালে গেলাম। ওফ, কতো মানুষ, তাদের নানান বিষয়ে চিল্লাচিল্লি, নানান পথ, নানান মত- অসহ্য। অসহ্য। মিছিল দুটো কাছাকাছি চলে এসেছে। আমি একপাশে সরে এলাম। কে যেন বলল, ‘এই…

কেন আপনি অধম বলিয়া আমি উত্তম হইব না

প্রসঙ্গ নিজেকে কিভাবে শুধরানো যায়। ভালো খায়েস।সেই ভালো খায়েসের সাথে অন্যের দোষ দেখে নিজেরে শুধানোর কথাটা ব্যাপকভাবে চালু আছে। প্রশ্ন হলো,এই ধরণের ইচ্ছে বা অভিপ্রায় আমাদের মনে ভর করে কেন।এই ধরণের চিন্তার পেছনে কোন দূরদর্শী পরিকল্পনা আছে কিনা? যদি থাকে,সেটা কি এই ভাবনার অনুরূপ।অর্থ্যাৎ,আমরা যখন কোন কিছুকে প্রত্যাশা করি,তখন সেই প্রত্যাশার মধ্যে এমন কিছু কি…

আমার ভাব-ভাষা কি আসলেই আমার

আমরা যে ভাব-ভাষা আর অভিজ্ঞতার জগতে বাস করি সেটা কি আসলেই আছে? নাকি এটি নির্মিত, আমাদের অজ্ঞাতাসারে কেউ কল-কাঠি নাড়াচ্ছে। আমরা যেভাবে চিন্তা করি, সেই চিন্তার কি কোন স্বাধীন অস্তিত্ব আছে? নাকি আমরা কৃত্রিম কোন অভিজ্ঞতার শিকার হই? যেখানে আমরা নিছক খেলার পুতুল বা পরীক্ষাগারে পরীক্ষণযোগ্য বস্তু মাত্র, কৃত্রিম পরিবেশে কিছু শর্তের মাঝে জীবন-যাপন করতে…

এথিক্স আর মেটা-এথিক্সে বন্দী জীবন

বছরখানেক আগের কথা, মেটা-এথিক্স বা পরা-নীতিবিদ্যার কাঠ-খোট্টা একটা বই পড়ছিলাম। মানে আমার কাছে কাঠ-খোট্টা। একটা পোষ্ট লিখেছিলাম সামুতে। এটা সেই পোষ্টেরই সামান্য পরিবর্ধিত অংশ। তো, মোটের উপর একখানা বই। তার উপর নির্বাচিত চ্যাপ্টার। এথিক্সে বা নীতিবিদ্যার প্রতি এক সময় ব্যাপক আগ্রহ ছিলো। একই সাথে এথিক বুঝার জন্য গুরু ও গুরুপনার দরকার ভেবেছিলাম। কিন্তু সবকিছুর জন্য…

আসল মানুষ চেনা যায় কেমনে?

এক. ডোরা কাটা দাগ দেখে বাঘ চেনা যায়। কিন্তু এক বাঘ আরেক বাঘকে চিনতে কি ডোরাকাটা দাগের খবর নেয়? অথবা ডোরাকাটা দাগকে চিন-পরিচয়ের চিহৃ করতে বাঘ সম্প্রদায়ের মতামত নেওয়া হয় নাই। না নেওয়াকে দোষের কিছু বলা যায় না। প্রজাতিগত যোগাযোগের সমস্যা। আবার এই ধরণের একটা পরিচয়ের মধ্যে কাওরে আটকাইয়া ফেললে আমাদেরই লাভ। সমস্যা থাকে, যদি…