দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসল

যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জেতে জার্মানি ও জাপান ফিলিপ কে ডিকের অল্টারনেটিভ হিস্ট্রি জনরার উপন্যাস ‘দ্য ম্যান ইন দ্য হাই ক্যাসল’। ২৯০ পৃষ্টার মতো পেপারব্যাক, খালেদ নকীবের অনুবাদ। উনার অনুবাদ ভালো, সেটা জুলর্ভানের একটা ঢাউস কিতাব থেকে অনুমান করছি। এবারেরটা পড়তে খানিকটা বেশি সময় লাগছে। নানান কিছু ফাঁকে ফাঁকে একটু একটু পড়ছি। এ কারণে অনেককিছু বোঝা…

জুলাই অভ্যুত্থানের নিনাদ ‘ক্যাফে রেভ্যুলুশন’

‘ক্যাফে রেভ্যুলুশন’ যখন লেখা হচ্ছিল, এক বন্ধুর কাছে উপন্যাসটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে শুনেছিলাম। পাণ্ডুলিপি পড়েছিলেন তিনি। আর। মুরাদ কিবরিয়ার প্রথম উপন্যাস ‘নিনাদ’ পড়া ছিল। তাই তার যেকোনো কাজের প্রতি আমার আগ্রহ আছে। সাহিত্য-সংক্রান্ত। ‘ক্যাফে রেভ্যুলুশন’ তার তৃতীয় উপন্যাস। উপন্যাসটি নিয়ে কথা বলব এমনটা যখন ভাবছিলাম, কিছু অস্বস্তি তৈয়ার হইছিল। আমার ধারণা, মুরাদের লেখা প্রসঙ্গে ‘নিনাদ’ নানাভাবেই…

তিন গোয়েন্দা, সন্ধ্যা নামানো শীতল স্মৃতি

বড়দের ‘অসাধারণ’ জগতে ঢুকে যাওয়ার অনেক দিন পর ‘সত্যিকারের অসাধারণ’ জগত ঝিলিক দিয়ে উঠা… কত যে আনন্দময়! যা মূলত ছোটবেলা এবং ছোটবেলার স্মৃতিতেই ঘটে। আমাদের সময়ের অনেকের কাছে সেই সত্যিকালের অসাধারণ জগত হলো তিন গোয়েন্দার সঙ্গে থাকা। প্রথমবার তিন গোয়েন্দা পড়ছি; এই স্মৃতির সঙ্গে সন্ধ্যা সন্ধ্যা একটা গন্ধ আছে। সম্ভবত আমি সন্ধ্যা বেলায় বইটা পড়তে…

ছাত্রসংঘ, জামায়াত ইসলামী ও ‘পৃথিবীর গোলাবের বুকে’

চৌধুরী মুঈন উদ্দিন নিয়ে আমার জানাশোনা যে খুব একটা ছিল, এমন না। নামটা জানা ছিল। আরো জানতাম যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী এ ভদ্রলোকের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধাপরাধের’ অভিযোগ রয়েছে। সম্ভবত সেখানকার চ্যানেল ফোরের বরাতে তাকে নিয়ে একট নিউজ দেখছিলাম ঢাকার টিভি চ্যানেলে। যখন যুদ্ধাপরাধের নামে উইচ হান্টিং চলছিল। সম্ভবত গত বছর ওনাকে নিয়ে পিনাকী ভট্টাচার্যের লেখা পড়ছিলাম। যেখানে বলা…

ইকবালের ‘ব্যক্তিগত নোটবই’ যেখানে তর্জমায় হারায়া যায় খোদা!

যেকোনো লেখা যা দ্বারা প্রকাশিত হয়, সে অক্ষর পাঠককে যা দেখায় বা বোঝায়, তা নাও হতে পারে। হতেও পারে। কখনো কখনো সেটার জন্য অন্য কিছুর বোঝাপড়া লাগে। লেখকের চিন্তার সিলসিলা। তা-ই সিলসিলা ছাড়া বোধহয় যা মনে হয়, তা অন্যকিছু। যে পড়ছে বা তর্জমা করছে, তার আইডিয়া অন্যের নামে চালায়া দিচ্ছে। লেখক পাঠকের হাতে ছেড়ে দিলে…

কিছু কথা ‘সমুদ্রতটে কাফকা’ ছাড়া হয়তো ভাবা হতো না

মনে করতে পারি। হারুকি মুরাকামির ‘অফটার দ্য ডার্ক’ উপন্যাসে সমান্তরালে দুইটা কাহিনি চলতে থাকে। একটাতে সম্ভবত একটা মেয়ে স্বপ্ন দেখে। এর বাইরে তার কোনো অ্যাক্টিটিভি নাই। অন্য একটা ক্যারেক্টার সারারাত টোকিও রাস্তায় কী কী যেন করে। ওই স্বপ্নের ঘটনাটা মনে হয় খোলাসা হয় না, এমনকি দুইটা ঘটনা একইসঙ্গে কেন বলা হইতেছে; জানা যায় না; সরাসরি।…