বিদ্যুৎ চমকায় শাহবাগে

শাহবাগে গ্রহ নক্ষত্র উপগ্রহ তখন আরো গভীর হয় রাত বিদ্যুৎ চমকায় শাহবাগে বৃষ্টি আসবে ক্ষেতে তখন গ্রহ নক্ষত্র উপগ্রহ নীহারিকা বাড়ি ফেরে বৃষ্টির ভয়ে।

অব্যক্ত সংগীত

যেতে যেতে অচিন নদীতে আরও দূরে ভেসে যাই যতটা গেলে দৃষ্টির আড়ালে শরীর থাকে না সময়ের ফাঁদে উড়ে যায় মেঘের সাথে অথবা তোমাকে নিয়ে একটা সংগীত গাইতে গিয়ে বারবার হোঁচট খেয়ে বলি তুমি কেন আমারে লও না তোমার আরশে। জানি এভাবে মঞ্জিল মিলে না তবুও ভাবনার খোসা ছড়িয়ে আমি কি ডাকি না তোমায় হয়ত নামে…

কার নামে পাথরটা সরিয়ে রেখেছি

এক. সেদিনকার কথা, কে যেন জিগেশ করে এই ছেলে, টুকটুকে ছেলে তোমার নাম কী তখনও আমি নাম বুঝতে শিখিনি অর্থ বুঝতে শিখিনি এখন চাইলে ভাবতে পারি নাম আর অর্থ দুটি আলাদা বিষয় এক করে বুঝতে গেলে নাম বুঝা লাগে অর্থ বুঝা লাগে দুটো বুঝে গেলে কি কি বুঝাবুঝি হয় অথবা বুঝাবুঝির অর্থ কী তা নিয়ে…

সরোবর

সরোবর- এই প্রাচীন নামের আড়ালে আমরা হেটেছি মৃদৃ মন্দ হাওয়ায়। পাখির শিস পাতার কোরাসে আমরা ভেবেছি হারানো শহরের অধিবাসী যেন- ভাঁজ খোলা পুরানো জামায় তুমি এনেছো স্মৃতির নির্বাণ। সরোবর- এই প্রাচীন নামের আড়ালে মৃদৃমন্দ হাওয়ায় মাছেদের সাথে আমাদের ভাগ্যরেখা খুঁজেছে অমৃত শব্দগুচ্ছ। শব্দগুচ্ছ প্রাচীন শহরের সীমানা ছাড়িয়ে গ্রাম্যতায়- জলপাই বনের হাওয়া ঢেকে দেয় সমূহ লজ্জা…

নামের আড়াল

ডাকাডাকিতে আমার কারবার কেউ ডাকলে ভালো লাগে পয়দা হই বারে বারে বিশেষ্য-বিশেষণ অথবা সর্বনামে। ঘরে-বাইরে কিছু নামী বেনামী নাম আমার আছে গাছের কোটরে- ক্লাসের বেঞ্চিতে সৈকতের বালিতে পলেস্তার খসা দেয়ালে অথবা অনাগত শিশুর ভ্রুণে। নামের আড়ালে অ-নামী পথ কুয়াশার হাত ধরে হাঁটছি কেউ এসেছিল সুদূর থেকে চিহ্নহীন এমনকি কারো গালে তিলও নেই কারো চোখে রা…

খোকা মৃত নয়

এই জামাটা খোকার ছিল ধরতে গেলে ঝরে পড়ে টুপটুপ রক্ত। বৃষ্টিকে আর ভালোবাসি না। শেষ রাতে তোমাদের শহরে বৃষ্টি হয় বাতাস বয় না বিজলী জ্বলে না তোমাদের জেনোরেটরে তেল ফুরিয়ে গেছে এসো শকুনের দল, হাড়ের সন্ধানে ঝাপিয়ে পড়ো! আমাদের গ্রামে বাতাসে লোবানের সুবাস আর বিজলীতে নেমে আসে আসমানী তারা। আমরা লোবান চাই না, চাই না…