সিনেমার খারাপ মানুষ যখন করুণা চুরি করে

হয়তো প্রত্যেক ভিলেনই একেকজন অ্যান্টি-হিরো। শুধু তার ইতিহাসটা জানা লাগে। খুবই একরোখা কথা, পুরোপুরি সত্য হবে না বলেই জানি। কিন্তু প্রত্যেক ঘটনার অন্যপিঠও থাকে! ১৯৮০ সালের একটা ছবি দেখতে দেখতে এ কথা মনে হলো। ছবির নাম গাংচিল, সিনেমায় যেটা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জাহাজের নামও। পরিচালক রুহুল আমিন। নায়ক-নায়িকা বুলবুল আহমেদ ও অঞ্জনা। তবে যে…

আলমগীর কবিরই রূপালি সৈকতের নায়ক, অভিনেতারা বাহানা মাত্র

এক. রূপালি সৈকতে অপেক্ষা করে লাবণ্যময়ী নারীরা। চাঁদনী রাতে ফিরে আসে প্রিয়জন… না, ফিরেও যায় কেউ কেউ। কিন্তু এই দুই পুরুষই আলাদা কেউ নয়, একজনই। একটু হয়তো আশ্চর্য হবেন, পাগলামীও মনে হবে— আলমগীর কবিরের ‘রূপালি সৈকতে’ সিনেমায় বুলবুল আহমেদ ও আনোয়ার হোসেন মূলত একই মানুষ। একই সত্তার দুই পিঠ। তিনি আলমগীর কবির স্বয়ং। সিনেমা সম্পর্কে…

এক্সট্র্যাকশন: বেদিশা ভাবমূর্তি

এক. একটা কৌতুক বলি! ‘এক্সট্র্যাকশন’ দেখার পর হলিউডের জ্যারেড লেটো বুঝতে পারবে- তিনি বাংলাদেশ সম্পর্কে সাবিলা নূরের চেয়ে আসলেই কম জানতেন! হুদায় পাড়া-মহল্লারে জায়ান্ট বইলা ভাব নিতেছিল। দুই. আমরা যারা ভাবমূর্তি নিয়া এমন সরব- বাংলাদেশ রাষ্ট্রটা কেমন চলে, কীভাবে চলে- আমরা জানি না বা বেখবর আছি। যেহেতু ‘এক্সট্র্যাকশন’ সিনামায় যা দেখাইছে তা ভুল কি-না তাও…

জোকারের রাজনীতি

মাল্টিপ্লেক্সে ‘জোকার’ দেখছিলাম। একটা দৃশ্যে জোকার আর্থার পুরোনো ক্ষোভ থেকে নৃশংসভাবে সহকর্মীকে মেরে ফেলে। ঘটনাস্থলে থাকা খর্বাকৃতির অন্য সহকর্মী মনে করে তাকেও মেরে ফেলবে। ভয় পেয়ে মানুষ কত কিছুই না করে! দর্শক হিসেবে গা শিরশির করারই কথা সাধারণত। অথচ আশপাশ থেকে থেমে থেমে হাসির আওয়াজ আসছিল। যদিও আর খুন করে না জোকার। কারণ ওই মানুষটি…

এই লঘু হাওয়ার ফাগুন

‘ফাগুন হাওয়ায়’ না দেখেও আমরা হাততালি দিতে পারি। যেহেতু ভাষা আন্দোলনকে এতকাল সিনেপর্দায় না দেখেই থাকতে হয়েছে। সেই পঞ্চাশ বছর আগে জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’য় প্রভাত ফেরি দেখি আমরা। শুনি ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটিও। তারপর বোধহয় এ প্রসঙ্গ সিনেমায় আর আসে নাই। আসলেও মশহুর কিছু হয় নাই- হয়তো! ফলত বিষয়বস্তুর কারণেই…

সুপারহিরোর নৈতিক ধাঁধা

গত এক দশকের মধ্যে হলিউডের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত সিনেমা ছিল এপ্রিলে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। এই উত্তেজনা উসকে দেয় মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের আগের কিস্তি ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’। যেখানে ভিলেন থ্যানোস (জোশ ব্রোলিন) ছয়টি ইনফিনিটি স্টোন (সৌল, টাইম, স্পেস, মাইন্ড, রিয়্যালিটি ও পাওয়ার) নিজের করায়াত্তে এনে মহাবিশ্বের অর্ধেক প্রাণীকে আক্ষরিক অর্থেই গায়েব করে দেন। যার মাঝে ছিল…