কেন আপনি অধম বলিয়া আমি উত্তম হইব না

প্রসঙ্গ নিজেকে কিভাবে শুধরানো যায়। ভালো খায়েস।সেই ভালো খায়েসের সাথে অন্যের দোষ দেখে নিজেরে শুধানোর কথাটা ব্যাপকভাবে চালু আছে। প্রশ্ন হলো,এই ধরণের ইচ্ছে বা অভিপ্রায় আমাদের মনে ভর করে কেন।এই ধরণের চিন্তার পেছনে কোন দূরদর্শী পরিকল্পনা আছে কিনা? যদি থাকে,সেটা কি এই ভাবনার অনুরূপ।অর্থ্যাৎ,আমরা যখন কোন কিছুকে প্রত্যাশা করি,তখন সেই প্রত্যাশার মধ্যে এমন কিছু কি…

আসল মানুষ চেনা যায় কেমনে?

এক. ডোরা কাটা দাগ দেখে বাঘ চেনা যায়। কিন্তু এক বাঘ আরেক বাঘকে চিনতে কি ডোরাকাটা দাগের খবর নেয়? অথবা ডোরাকাটা দাগকে চিন-পরিচয়ের চিহৃ করতে বাঘ সম্প্রদায়ের মতামত নেওয়া হয় নাই। না নেওয়াকে দোষের কিছু বলা যায় না। প্রজাতিগত যোগাযোগের সমস্যা। আবার এই ধরণের একটা পরিচয়ের মধ্যে কাওরে আটকাইয়া ফেললে আমাদেরই লাভ। সমস্যা থাকে, যদি…

সিদ্ধার্থের আপন ভূবন

সিদ্ধার্থ নামে আমি নিজেকে চিনি অথবা ভাবি। আমার এই ছোট্ট জীবনে নানা অতৃপ্তি আছে। অথবা আমাদের এই জীবনে। আছে নানা কাঙ্খা। কোনটাকে ভালো আর কোনটা মন্দ নামে ডাকি। আবার কখনো কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ তা-ই বুঝতে পারি না। তারপরও সব মিলিয়ে চাই এই হাটুক আর হামাগুড়ি দিয়ে যাক সে যেন জীবন ছক বাধা থাকে।…

সকল গরু অদৃশ্য হয়ে গেছে

খুব পরিচিত একটা কৌতুক দিয়ে শুরু করা যাক। এতই পরিচিত যে, এই কৌতুক শুনে কেউ এখন আর হাসে না। কোন একজনকে নাকি নদীর রচনা লিখতে বলা হয়েছিল। বেচারার ঈমান ছিলো মুখস্ত বিদ্যায় আর কিছুতেই না। তিনি মুখস্ত করেছিলেন গরুর রচনা। লিখতে শুরু করলেন, ‘নদীর নাম মধুমতি। নদীর পাশে বিশাল একটা মাঠ। মাঠে একটা গরু বাধা…

নৈতিকতা ধর্মকে আড়াল করে

অলিম্পিক খেলার জন্য অলিম্পাস পর্বতরে চেনা-জানার দরকার নাই। সেই পর্বতখানি না চিনিয়া না জানিয়া আপনি ডিগবাজি দিয়া আসিতে পারেন। কারণ ডিগবাজির সাথেই আজকের অলিম্পিকের কায়-কারবার। এর সাথে অলিম্পাস পর্বতের যোগাযোগ অতি ক্ষীণ। সুতারাঙ, অলিম্পাস কি বস্তু ইহা না চিনিলেও কারো দোষ দেয়ার নাই। আলাপটা নৈতিকতার সাথে ধর্মের সম্পর্ক নিয়ে। বিষয়টা মোটাদাগে নয়। এই শিরোনাম না…

অন্বেষণঃ চিন্তন পর্ব

চিন্তা সম্পর্কে সহজ যে ধারনা আকাঁ যায়, চিন্তার রুপ হলো নৈর্ব্যক্তিক। এই ভাবনার ধরন অনেকটা অতীন্দ্রিয় বিশ্বাসের মতো। জাগতিক জীবনের প্রত্যাহিকতা কোন না কোন ঘটনায় মূর্ত হয়ে উঠে। তার বর্ণনা কিছু না কিছু প্রত্যয়ের মিলামিশা। আর বিদ্যমান পরিস্থিতি হলো এদের পারস্পরিক সম্পর্কের বিচার। যা একাধারে দ্বান্দ্বিক আবার নির্ভরশীলতারও বটে। এখানে সাধারন কোন নিয়মের আওতায় সমরূপতা বা…