চিক চিক করে বালি

জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখি সূর্য অনেকটা উপরে উঠে গেছে। শেষ রাতের দিকে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বুঝি! যতদূর চোখ যায় কাদার মাঠ। প্রথম কিরণে চিকচিক করছে। কোথাও অনেকটা খালের মতো। অনুমান করলাম নাফ নদীর সঙ্গে এর যোগ আছে। জোয়ারে নিশ্চয় পানি আসে। আইল বাঁধা অনেক ক্ষেতে লবণের হালকা স্তর। দেখতে দেখতে অনেকটা পথ পেরিয়ে অদ্ভুত জায়গায় পৌঁছলাম। একপাশে যেন ঘন অরণ্য আর অন্যপাশে চিকচিক করছে নদী। গাড়ি থেকে জানাল গন্তব্যে পৌঁছে গেছি। এবার টিকিট কেটে জাহাজের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। টিকিট কেটে হাত-মুখ ধুয়ে নিই। যাত্রা শুরুর এখনও ঘণ্টা-দেড়েক বাকি আছে। পাক্কা ১২ ঘণ্টা গাড়িতে বসে ছিলাম। কিছুটা হাঁটা যাক। ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে হাঁটা শুরু করি। কিছুদূর পর একটা ব্রিজ পার হই। ইচ্ছে হলো নদীর পাড়ে গিয়ে চুপচাপ বসি। কিন্তু রাস্তা দেখে মনে হচ্ছে, কারও বাড়ির ভেতর হয়ে যেতে হবে। বেআইনি অনুপ্রবেশ হবে ভেবে সে ইচ্ছে বাদ দিলাম। রাস্তা বরাবর হাঁটছি। এক পর্যায়ে এসে দেখা গেল, জনমনুষ্যি নেই। ফিসফিস করে বললাম, the world at end.

wahedsujan.com (2)

দূরে ছেড়া দ্বীপ দেখা যাচ্ছে। দুরত্ব বেশি নয়। সকাল ১০টার দিকে হাঁটা দিয়ে আমরা দুপুর নাগাদ পৌঁছে যায়। ফেরার সময় বোটে আসতে পারেন কিন্তু হেঁটে যাওয়ার আনন্দটা মিস করবেন না।

এক.

কেয়ারি সিনবাদে চড়ে যাত্রা শুরু সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ। নামেই সিনবাদ। অনেকে হয়তো উপভোগ করছে নদী আর সাগর। কিন্তু মন পড়ে রইল বছর দশক আগে ট্রলারে করে সেন্টমার্টিন যাত্রায়। খোলা নৌকায় গিজগিজ করছিলাম অসংখ্য মানুষ। উপরে খোলা আকাশ আর যেদিকে তাকাই জল। সিনবাদে তিনটে ক্লাস। ডেকের ওপরে দুটো। এদের মাঝখানে ব্যবধান একটা লোহার দরজা। ওপারের মানুষ যাতে এপারে আসতে না পারে তাই সেটি বন্ধ থাকে। এভাবেই চলছে। হঠাৎ পিছু নিল একঝাঁক গাঙচিল। কোথা থেকে হাজির হলো কে জানে! একটু পর এ হাজিরানা অনেকটা খোলসা হলো। যাত্রীরা চিপস ও বিস্কুট কিনে গাঙচিলদের দিকে ছুড়ে মারছে। এটা নিশ্চয় রুটিন হয়ে গেছে। পাখিগুলো নিখুঁত ডাইভ দিয়ে শূন্য থেকে খাবার ঠোঁটে তুলছে। যারা খাবার কিনে দিচ্ছে- এরা আবার শহরবাসী। সেন্টমার্টিনের যে অধিবাসীরা বাড়ি ফিরছেনÑ এ নিয়ে তাদের কোনো উৎসাহ নেই। তখন মনে হলো, জাহাজ কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞাপনে লিখতে পারে গাঙচিলের সঙ্গে ফ্রি ভ্রমণ। শহরে মানুষের পশুপাখি প্রেম প্রায়শ চোখে পড়ে। এরা হয়তো মানুষের মধ্যে থাকতে থাকতে খোদ মানুষের ওপর ত্যক্ত-বিরক্ত। আসার সময় এক ভদ্রমহিলার চেষ্টা-চরিত্র চোখে পড়ার মতো। কী গোঁ ধরে আছেন গাঙচিল তার হাত থেকে খাবার খেয়ে যাবে। কিন্তু আকুল স্বরে গাঙচিলকে ডাকছেন!
 .
মানুষের মাঝে পক্ষীকূলের জন্য এ ভালোবাসা সাধুবাদযোগ্য। জাহাজের দেয়ালে একটা বিজ্ঞপ্তি সেঁটে রাখা হয়েছেÑ সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষা করতে আবর্জনা যেন নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলা হয়। চিপস আর বিস্কুটের টুকরো আবর্জনা কিনা জানি না কিন্তু গাঙচিলের খাদ্যাভ্যাসে ছুড়ে দেয়া চিপস আর বিস্কুট কি ধরনের ভূমিকা রাখছে? আমার এক বন্ধু বলেছিল, সিঙ্গাপুর সিটিতে নাকি কোনো গাছ নেই। কারণ গাছ থাকলে পাখি থাকবে। পাখি মানে বিষ্ঠা। বিষ্ঠা মানে ময়লা। হয়তো সিঙ্গাপুরে ময়লা নেই। বলাই বাহুল্য কথাটা আমার বিশ্বাস হয়নি। ঢাকার বাস ছাড়ার আগে ও পরে দুজন মুরব্বির সঙ্গে পরিচয়। তারা দুজনেই সেন্টমার্টিনে রিসোর্ট ব্যবসা করেন। একজন জানালেন, সরকার নানা বিধি আরোপ করে সেন্টমার্টিনের উন্নয়নকে ব্যাহত করছে। নইলে কবেই সেন্টমার্টিন সিঙ্গাপুর হয়ে যেত। গাঙচিলের এহেন আচার থেকে গাছ-পক্ষীহীন সিঙ্গাপুরের ছবি ভেসে উঠল। এদিকে সাগরের মোহনা আসতেই গাঙচিল উধাও। যতই ফকিরিপনা থাকুন না কেন, গাঙচিলের ওড়াউড়ি রীতিমতো রাজকীয়, সূক্ষ্ম ও নিয়ম মেনে চলা। ঘণ্টা আড়াইয়ের মধ্যে সাগরের থেকে মাথা তুলে সেন্টমার্টিন আইল্যান্ড। তীরের নীল জল দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। মন বলে, আমি তো এখানে আসতে চেয়েছি।
wahedsujan.com (4)

আমি প্রশিক্ষিত নই। দুইদিনের জন্য এলাম। তীরে চলল হালকা স্কুবা ডাইভিং।

দুই.

দ্বীপের মনুষ্যনির্মিত সৌন্দর্য হলো, দীর্ঘ জেটি ও মাছধরা নৌকা। জেটি পার হয়ে গেলে আপনার মনে হবে, বাংলাদেশের কোনো একটা গ্রামের হাটে চলে এসেছেন। ওইসব হাটে অবশ্য এ ধরনের রেস্টুরেন্ট থাকে না। হাঁটতে হাঁটতে শুনবেন নানা প্যাকেজ, রুম ভাড়া, নৌকা ভাড়া, ভ্যান ভাড়া, ডাব খাওয়া-মাছ খাওয়ার অফার। যদিও অফার ঢাকা থেকে শুনে আসছি। ঘটনা হলো, অফার দেয়া লোকেরা বড়জোর এক বা দুই প্রজন্ম থেকে এখানে বাস করছেন। আমাদের এক সঙ্গীর কাছে জানা গেল, দ্বীপের যারা আদি অধিবাসী তারা বেশির ভাগই মজুর টাইপ। যারা ব্যবসা করছে তারা বাইরে থেকে আসা। আরেকটা জিনিস মহামারীর মতোই মনে হলো। ঢাকা শহরের নানা পদবিধারী লোক ও প্রতিষ্ঠান এ দ্বীপে জায়গা কিনে রেখেছে। শুনলাম যত্রতত্র অবকাঠামো নির্মাণে সরকারি নিষেধাজ্ঞায় তারা নাকি সমস্যায় পড়েছেন। এখন লাভের মধ্যে আছে প্রবেশ নিষেধের সাইনবোর্ড।

সেন্টমার্টিনের ভাষাও বিচিত্র। এরা চট্টগ্রামের ভাষায় কথা বলে না। চট্টগ্রাম ও রোহিঙ্গা বুলির মাঝামাঝি। আমাকে যিনি ডাইভিং শেখাচ্ছিলেন তিনি আরাকানের বাসিন্দা। আবার বয়স্ক মহিলারা থামি পরছে। অবশ্যই চট্টগ্রামেও আমরা ছোটবেলায় অনেক মহিলাকে থামি পরতে দেখেছি। তবে সে চল সম্ভবত এখন আর নেই।

দ্বীপে পড়াশোনার ব্যবস্থা বলতে দুটি প্রাইমারি স্কুল, একটি মাদরাসা, একটি কিন্ডারগার্টেন এবং সম্ভবত একটি হাইস্কুল। তারপরও অনেক বাচ্চাকে দেখেছি সারাদিন এদিক-ওদিক পর্যটকদের পেছন পেছন ঘুরছে। তাদের বাড়ির লোকেরা কিছু বলে না বোধহয়। যেমন আমাদের সঙ্গে গোলাম হোসেন সারাদিন ছিল। তার বাড়িতে অবশ্য দাদা-দাদি ছাড়া কেউ নেই। তার জবানে তার মা তাকে ফেলে পাকিস্তান চলে গেছে আর বাবা চট্টগ্রামে ট্রলার চালায়। তার খোঁজ নেয় না। তবে তার মা কেন পাকিস্তান গেল সেটা বোঝা গেল না। এরকম অনেক শিশু আছে যারা ভাঙা প্রবাল বিক্রির চেষ্টা করছে।
এ দ্বীপের মানুষেরা খুব যে সুখে আসে তা নয়। অল্প কিছু হোটেল মালিক বা বোট মালিক হয়তো ভালো আছেন। বড় সমস্যা হলো দ্বীপে খুব কমই ফসল হয়। সম্ভবত বছরে একবার ধান হয় আর অল্প কিছু সবজি। বাকি সব টেকনাফ থেকে আসে। হরতাল বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে যোগাযোগ বন্ধ থাকলে হুহু করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ে। আর আছে সুপেয় পানির সমস্যা। খুব গভীর করে টিউবওয়েল বসালে মিষ্টি পানি মেলে। তাও খুব খরচের ব্যাপার।
wahedsujan.com (1)

সেন্ট মাটিন থেকে ফেরার পথে জাহাজে। সঙ্গী আমার গাংচিল।

তিন.

গোসল আর খাওয়া শেষে অফার এলো সমুদ্রস্নানের। সব নদী যেহেতু সাগরে মেশে আর যেহেতু মানুষ নদীর মতো প্রবাহমান। তাই আমিও! দুই সঙ্গী ডাইভিং গিয়ার নিয়ে প্রস্তুত। আরেকজন শুধু সাঁতার শিখবেন। সমুদ্রের পানিতে সাঁতার শেখা দারুণ ব্যাপার নিশ্চয়। তখন ভাটার সময়। মাথার ওপর সূর্য রীতিমতো পোড়াচ্ছে। সৈকতে গিয়ে দেখা মিলল অনেক কুকুরের। এদের নাকি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ভোরে যখন জেলেরা মাছ নিয়ে আসে। কুকুর নিয়ে আর যা শুনলাম- এরা নাকি খুব ভোরে উঠে ডাকাডাকি করে, একেবারে ফজর আজানের সময়। এটা নিয়ে অনেকে রুষ্ট। এ ডাকাডাকি নিয়ে দ্বীপে একটা কথা প্রচলিত আছে। কুকুরগুলোর পূর্বপুরুষ নাকি খ্রিস্টান পাদ্রীদের সঙ্গে আসা। তারা সেই ঐতিহ্য ধরে রেখে সকালে ডাকাডাকি করে। কারণ আজান পছন্দ করে না।

চার.

দ্বীপে এসে যতবার জেটিকে যাবেন বোটে চড়ে ঘোরার অফার মিলবে। সবচেয়ে কমন অফার হলো ছেঁড়া দ্বীপ ভ্রমণ। এভাবে কয়েকটা দ্বীপের কথা বলা হয়। শুনে মনে হবে এরা আলাদা দ্বীপ। আসলে আলাদা দ্বীপ না। জোয়ারে ছেড়া দ্বীপের কিছু অংশে পানি ওঠে। তবে একে আলাদা দ্বীপ বলা যায় না। মজার বিষয় হলো, আপনি যদি হেঁটে ছেঁড়া দ্বীপ না যান তবে দ্বীপের নব্বইভাগ সৌন্দর্য না দেখেই ফিরে এলেন। অফারে থাকা আরেকটা দ্বীপের নাম হলো মৌসুমি দ্বীপ। একটা কিছু পাথরের সমষ্টি মাত্র। এখানে নাকি মৌসুমি-সালমান শাহ ‘অন্তরে অন্তরে’ ছবির একটি গানে নেচেছিলেন। তো, সেই পাথরখ-গুলোও দর্শনীয়। যেমন দর্শনীয় হুমায়ূন আহমেদের বাংলো ‘সমুদ্রবিলাস’। যারা দ্বীপে আসেন এই বাড়িটা দেখবেনই দেখবেনÑ এমন ভাব নিয়ে আসেন সাধারণত। যদিও গেটের বাইরে লেখা আছে ‘বোর্ডার ছাড়া অন্য কারো প্রবেশ নিষেধ’।
 .
দ্বীপে প্রবেশের দ্বিতীয় দিন সমুদ্র বিলাসের কাছ থেকে শুরু হয় ছেঁড়া দ্বীপ যাত্রা। সঙ্গে বোতলভর্তি পৃথিবীর সবচেয়ে মিষ্টি ডাবের পানি। সেন্টমার্টিনের আদি নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। বীচ ধরে ছেঁড়া দ্বীপ যেতে লাগে প্রায় চার ঘণ্টা। এর মাঝে কতরকম দৃশ্য যে চোখে পড়বে তার ইয়ত্তা নেই। বাহ! বলে বলে ক্লান্ত হবেন শুধু।
.
আমাদের সঙ্গে ছিল গোলাম হোসেন। সে হঠাৎ দূরে কিছু দেখানোর চেষ্টা করে। প্রথমে না বুঝলেও পরে দেখলাম সমুদ্র থেকে উঠে আসা বড় বড় পাথর। সে জানাল, এগুলো নাকি এই দ্বীপের অধিবাসীদের পূর্বপুরুষ। মানে তারও পূর্বপুরুষ। আমিও বেশ কৌতূহলের সঙ্গে পাথরগুলো দেখলাম। কোনো বিশেষত্ব খুঁজে পেলাম না। আকারে বড় এই যা। তবে পূর্বপুরুষদের পাথর হয়ে থাকা নিঃসন্দেহে গুরুতর ব্যাপার। আমরা যে জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে টিকে আছি, তা তো অনেককাল আগের প্রাণীর শরীর দিয়ে তৈরি। তারা তো এ পৃথিবীতে আমাদের পূর্বসূরি।
wahedsujan.com (3)

ছেড়া দ্বীপে।

পাঁচ.

ছেঁড়া দ্বীপে জনমনুষ্যি বলতে একটি পরিবার। সাকুল্যে ১০ জন। তারা কেয়াবনের মাঝে একটা বাড়িতে থাকে। যেখানে পর্যটকদের থাকার জন্য ছোট কুঁড়ে ঘর ও বারবিকিউয়ের ব্যবস্থা আছে। এর থেকে কিছুটা দূরে তাদের হোটেল মৌসুমি। কেউ একজন ঘরের বেড়ায় লাল রঙে লিখে রেখেছে ‘হোটেল মৌসুমি-ছেঁড়া দ্বীপ একটি পরিবার’। মোবাইল নাম্বারসহ আরও কী কী যেন। আমরা ভাতের সঙ্গে উড়ুক্কু মাছের অর্ডার দিলাম। খাবার তৈরি হতে ঘণ্টা-দেড়েক লাগবে। ততক্ষণে প্রবালের সৌন্দর্য দেখা যাক।

একটা বাচ্চা অনেকক্ষণ ধরে কী যেন দেখাচ্ছিল। খেয়াল করলাম সাজ-গোছ করা এক কিশোরীকে। বিশেষ করে তার নাকফুল ঝিকঝিক করেছিল। বাচ্চাটি বলছে, আঙ্কেল বউ! বউ! কিশোরী লজ্জা পেয়ে আরেক দিকে চলে গেল।
এ হোটেল চালান সাদ্দাম। বিকালে আমরা যখন ফিরছি, সাদ্দাম ও সেই কিশোরী একই বোটে করে মূল দ্বীপে আসে। কিশোরীর গায়ে তখন বোরকা। জানা গেল তাল তার বিয়ে। তার নামই মৌসুমি। দ্বীপের হাসপাতালে তাদের এক আত্মীয় কাজ করে। তার বাসায় বিয়ে হবে। বোঝা গেল, একটি দ্বীপ একটি পরিবার হলে বিয়ে-শাদিতে কত ঝামেলা। ‘সুইস ফ্যামিলি রবিনসন’ তখন খাট্টা খাট্টা লাগে।
 .
মৌসুমির বিয়ের বদৌলতেই বোধহয় অনেক দিন পর মাইকে কিছু পুরনো গান শুনলাম। আঞ্চলিক গান ও ভারতীয় বাংলা গান। তবে আমি যেটা খুঁজছিলাম পেলাম না- ‘বেশি খাইলে গাল জ্বলে, কম খাইলে মুখ পোড়ে। প্রেম ন কইজো দুইজনের মন এক না হলে’।
অতঃপর
এবার সৌন্দর্য নিয়ে সামান্য বলা যাক। রাতের খাওয়া শেষে আমরা ক’জন বসেছিলাম স্কুবা ডাইভার নূর মোহাম্মদ ভাইয়ের বাড়ির উঠোনে। মাথার উপর দীর্ঘ নারিকেল গাছ। তার ফাঁকফোকর দিয়ে অজস্র তারার আলো চোখে পড়ে। মন চাইছিল এভাবে তারাদের মুখোমুখি বসে থাকি। বুঝতে পেরে কেউ একজন বলল, ‘থাকে শুধু অন্ধকার’ এই কথাটা ভুল। পাশ ফিরে দেখি কেউ নেই। তারার আলোয় বালি চিকচিক করছে।
……………………………………………………
*ছবি : মোহাম্মদ আরজু।
*লেখাটি দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ‘শুক্রবার‘ সাময়িকীতে প্রকাশিত।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *