ছফা’র সিপাহি যুদ্ধ

আহমদ ছফার ‘সিপাহি যুদ্ধের ইতিহাস’ বইয়ের পরিচায়িকা অংশ থেকে কিছু অংশ পাঠ করা যাক। এই পরিচায়িকাটি লিখেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মমতাজুর রহমান তরফদার। ‘সমগ্র ভারতে এবং পাকিস্তানের অংশ বিশেষে ১৯৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহ শতবার্ষিকী পালন করা হয়েছিল, ঘটনাবহুল সভা-সমিতি ও উৎসবানুষ্ঠানের মাধ্যমে। তখন বহু ঐতিহাসিক সিপাহি যুদ্ধের বিভিন্ন দিকের উপর…

মান্দি আত্মার বিলাপ

মান্দিগ্রাম। যাকে আমরা গারো পল্লী বলি। শহুরে শিকারী মানুষদের ফসিল শিকারের উৎকৃষ্ট স্থান। নিজেদের অস্বাভাবিকত্ব আর বিকৃতির বাইরে যা আছে তাকে আমরা নানা নামে ডাকি। কেউ কেউ বলেন- মান্দিরা এই প্রগতির সংসারে অগতির মধ্যে আছেন (সুবিধা বঞ্চিত)। তারা যেন দূরে কোথাও ছিটকে পড়েছে- তাদেরকে মানুষ করা দরকার। জীবনের স্বাভাবিক সৌন্দর্য, প্রাকৃতিকতা ও বৈচিত্র্যকে সমচেতনার নামে…

দ্বৈরথে বাঁধা নিত্য জীবনের অভিজ্ঞান

মানুষ নিজেকে ইতিহাসের ভেতরই প্রকাশ করে। এক অর্থে, মানুষ ইতিহাস চেতনায় বন্দী! ইতিহাস লিপিবদ্ধ করার জন্য যুক্তির কষ্টিপাথর থাকে। থাকে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য প্রমান। কিন্তু মানুষের ইতিহাস শুধুমাত্র যুক্তির ইতিহাস নয়। কখনো ব্যক্তি তার বাসনায় ব্যক্ত হয় আবার কখনো বাসনা  নিজে অব্যক্ত ও অধরা থেকে যায়। এই ব্যক্ত-অব্যক্ততা ফুড়ে বের হয় মানুষের যাবতীয় নিত্য অভিজ্ঞান, দিব্য অভিজ্ঞান।…

নৈঃশব্দ্যে খোলা আছে আপন জগতের দুয়োর

এখানে প্রাচীরের ছায়া লেলিহান জ্বর / প্রিয়তম যাতনা বসো একটু দূরে / ছায়াতলে শুয়েছে নিশ্চুপ রোদের শহর [আমার বুক থেকে চুরি করে , পৃষ্ঠা:৯] পাখি ও পাপ। মানুষ পাখির মতো উড়তে চায়। উড়া হলো স্বাধীনতার প্রতীক। নিস্কলুষতার প্রতীক। শান্তির প্রতীক। পাপ- নশ্বর জগতে একমাত্র মানুষই পাপবিদ্ধ হয়। মানুষ পাপের অধিকর্তা। পাখি অপাপবিদ্ধ। পাখি কি কখনো…

আমার ভাব-ভাষা কি আসলেই আমার

আমরা যে ভাব-ভাষা আর অভিজ্ঞতার জগতে বাস করি সেটা কি আসলেই আছে? নাকি এটি নির্মিত, আমাদের অজ্ঞাতাসারে কেউ কল-কাঠি নাড়াচ্ছে। আমরা যেভাবে চিন্তা করি, সেই চিন্তার কি কোন স্বাধীন অস্তিত্ব আছে? নাকি আমরা কৃত্রিম কোন অভিজ্ঞতার শিকার হই? যেখানে আমরা নিছক খেলার পুতুল বা পরীক্ষাগারে পরীক্ষণযোগ্য বস্তু মাত্র, কৃত্রিম পরিবেশে কিছু শর্তের মাঝে জীবন-যাপন করতে…

দ্য পানিশমেন্ট অব গাজা: ফিলিস্তিনকে অভিশাপমুক্ত করতে এবার একজন ইজরাইলির ডাক

দুইবার সমাধিস্থ হয়েছিল যে কিশোর ফিলিস্তিনি সেই মাহমুদ আল জাক-এর দেহাবশেষ শনাক্ত করেছিলেন তার বাবা আবদুল্লাহ, কোন শারীরিক আলামত দেখে না- বরং ইজরাইলি সেনাবাহিনীর হামলায় নিহত ছেলের কোমরের বেল্ট আর পায়ের মোজা জড়িয়ে কিছু মাংসের দলা শনাক্ত করেছিলেন হতভাগ্য বাবা। একদিন পর চৌদ্দবছর বয়সী মাহমুদের শরীরের বাকি অংশ খুঁজে পাওয়া যায়। সময় ২০০৬ সাল। স্থান…