ছায়ায় জেগে আছে সে

ছায়ায় সে জেগে আছে ভোরে হাওয়ায় উড়ে যায় কেউ শির শির শব্দে ভর করে রাতের সুবাস। নিভে যাওয়া সলতেটুকু অনুমান করে জেগে থাকার অহঙ্কার মৃত পাখি হয়ে উড়ছে তার।

অনতিদূরে কেউ

কার কথা বলছি এ মধ্যরাতে কাছে না এলে ভাবা হয় না এলেই শুধু তার অনুমান হয়। অনতিদূরে কেউ নদী হয়ে বসে থাকে, বয়ে চলে অপর হয়ে কথার মাঝে তার অধিক দুরত্ব আমার কোথায় আছে বলো।

তবুও কেমন করে হিম হয়ে

আমরা নৈঃশব্দ্যের ফিকির করি না তবুও কেমন করে হিম হয়ে আমাদের কথাগুলো জমে থাকে গহীনে- কোথায় যাবো বলো সব পথ মাড়িয়ে আমরা পৌছে যাই সাদা বালির দেশে।

পর্দা

অজস্র চোখের সামনে ঝুলতে থাকো তুমি অসীম বিস্তারে চোখ সীমানা হারালে হিসেব মেলে না শুধু হাওয়ায় দুলতে থাকা তোমার শরীরে লেগে থাকে জলের রেখা ছায়া ও ছোঁয়ার নির্মল দিব্যতায় ঢেকে দিতে চাই আপাত বিবর্ণতা।

যাত্রী

অদ্ভুত নৈঃশব্দ্যের মাঝে শেষ গাড়িটা আসবে কখন তার প্রতীক্ষায়  রই। অন্ধকার আকাশের দিকে তাকিয়ে কাঁটার বিছানায় ফুল ছড়িয়ে বিরানে পাড়ি দিই। মৃত্যু নিজের মাঝে স্থিতু হওয়া ব্যাখ্যার অব্যাখ্যাত বর্ণনার নাম বাবার হাত আল পথে হেঁটে সূর্য্যটা ছিনিয়ে আনার নাম… তারে জড়ানো শেষ বিকেলের কাক কৃষ্ণ পোশাকে মোড়ানো জরীর গা একটি বিস্ফোরণের অপেক্ষায় চোখ মেলে মৃত্যুর…

মুক্তি মণ্ডলের উম্মাদ খুলির পৃষ্ঠাগুলি

মানুষের মুখের দু পাশে দু রকম জালছাপ দেখি- একপাশে মৃত্যুদূত/ হাতে ফুল। অন্য পাশে বাঘিনীর বিক্ষিপ্ত হাসি আর বন্য ফুলের গন্ধ/ আমরা দেখি আমাদের আত্মার মধ্যে উড়ছে ঈগল। তার পাখার হাওয়ায়/ কয়লার পাহাড় কাপে। বিচিত্র তৃঞ্ষার হাড়ে জম্ম নিচ্ছে ফুল। কখনও/ কখনও জলকাচে সমুদ্রের দুর্বিনীত মুখ ভেসে ওঠে। [যাই অস্তমিত সূর্যের আলোর নিচে, পৃষ্ঠা ২৬]…