আমি মূলত মেঘ

আমি মূলত মেঘ, ঝরে পড়ার আগে বিস্মৃত হই বিবিধ উৎস মুখ! আমি বৃষ্টি নই, শুনতে পাই তার অস্ফুট ধ্বনি ‘প্রভু রহম করো’ যখন ডুবে যায় চরাচর। আর উল্লাসে বয় গোপন প্রেমের স্রোত।

আমি যেন হারিয়ে যাই

আমার কল্পনা নদী তীর ধরে হা্ঁটে কুসুম কুসুম মেঘ ছায়া ফেলে তার সাথে কথা কয় কে নদী কে-ই বা তার তীর। আমি যেন বা হারিয়ে যাই সঙ্গে উড়ে যাওয়ার সমস্ত গল্প তীরে এসে সীমা জেনে নেয় নদী। একদা এ নিখিলে আমি পেয়েছি আজব সূত্র পড়া হলে মিলিয়ে যায় তার সার ধূসর হয়ে ভেদ করে আদম…

গল্পরা মূলত পাখি

এইসব গল্প থাকবে না একদিন ভাবাভাবির এ কালে গল্পরা মূলত পাখি এক ডাল বসে স্থির সে আছে, আছে বয়ান ঘুরে-ফিরে অন্য গাছের ডালে।

কবির পুনর্জন্ম

পুনর্জন্ম শুনলে আমার নাকে খানিকটা ধর্মতাত্ত্বিক গন্ধ লাগে! আবার খানিকটা রোমান্টিসাইজও করি। খামতিপূর্ণ মানবজীবন বলে কথা! এ জনমে যা হয় নাই- তা অপর জনমে হবে এরকম একটা ব্যাপার আছে। অথবা যা অপর জনমে করি নাই, তা এ জনমে চাই। অথবা অপর জনমে যা যা পাইছি তার ষোলআনা হক্ব আদায় করতে চাই। এমন ভাব ব্যক্তিভেদে কেমন…

দূরের কোনো মাঠে

দূরের কোনো মাঠে হেমন্তের ছবি এঁকে যদি ঝুলিয়ে রাখা যেতো বাড়ত আমার শোক হতাশায় কোনো একদিন কাঁদতাম দেখতাম মেঘ থেকে বৃষ্টি ঝরে মিলিয়ে যাচ্ছে পেলব আত্মারা। ফুরিয়ে যাওয়া হেমন্ত আমাদের নিয়ে যায় চিরদিনের মতো। একবার গেলে শুধু ভালোবাসা যায় স্মৃতি তারে মিথ্যে করে দেয়।

ছায়ায় জেগে আছে সে

ছায়ায় সে জেগে আছে ভোরে হাওয়ায় উড়ে যায় কেউ শির শির শব্দে ভর করে রাতের সুবাস। নিভে যাওয়া সলতেটুকু অনুমান করে জেগে থাকার অহঙ্কার মৃত পাখি হয়ে উড়ছে তার।